মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

বীমা

বীমা

বীমা হল অর্থের বিনিময়ে জীবন, সম্পদ বা মালামালের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির ন্যায়সঙ্গত ও নির্দিষ্ট ঝুকির স্থানান্তর। এর মাধ্যমে ব্যাক্তি বা বীমা প্রতিষ্ঠান অর্থের (প্রিমিয়াম) বিনিময়ে মক্কেলের আংশিক বা সমস্ত সম্ভাব্য ঝুকি গ্রহন করে থাকে। এটি অনিশ্চিত ক্ষয়ক্ষতি এড়ানোর জন্য ঝুকি ব্যাবস্থাপনার একটি অংশ। বীমা কোম্পানিগুলোকে প্রিমিয়াম প্রদানের মাধ্যমে বীমাকৃত ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান সব ধরনের সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে মুক্ত থাকে আর অসংখ্য বীমাকৃত ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে বীমা কোম্পানিগুলো মূলধন বৃদ্ধি করে। বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা ছাড়াও ব্যাক্তিগত ভাবে অর্থ সঞ্চয় করে সম্ভাব্য ঝুকির দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত থাকা যায়।[১] বীমা প্রক্রিয়া, ক্ষয়ক্ষতির ধরন এবং ক্ষতিপূরন নির্ধারনের ক্ষেত্রে কিছু মূলনীতি মেনে চলতে হয়।

বীমা যোগ্যতা[সম্পাদনা]

বেসরকারী কোম্পানি কতৃক বীমা করানোর জন্য সাতটি বীমাযোগ্যতার মূলনিতী মেনে চলতে হয়ঃ

একই ধরনের ক্ষতির সম্মুখিন হতে পারে এমন অনেক উপাদানের অস্তিত্বঃ যেহেতু একটি বীমা কোম্পানি ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরন দিয়ে থাকে তাই বাস্তবে সেই ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখিন হতে হারে এমন উপাদান প্রচুর পরিমানে বিদ্যমান থাকতে হবে। যেমন লয়েডস অফ লন্ডন জনপ্রিয় শিল্পি এবং খেলোয়াড়দের জীবন এবং তাদের গুরুত্বপূর্ন অঙ্গের বীমা করানোর জন্য বিখ্যাত। এখানে লয়েড অফ লন্ডন যেসব উপাদানের বীমা করায় সেগুলো বাস্তব জীবনে প্রচুর পরিমানে বিদ্যমান এবং এই উপাদানগুলো একই ধরনের না হলেও এগুলোকে একই শ্রেণিতে ফেলা যায়।
নির্দৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতিঃ বোঝাতে বীমা কোম্পানি শুধুমাত্র একটি বা একাধিক নির্দৃষ্ট ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরন দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ থাকবে। যেমন একটি গাড়ির যদি শুধু অগ্নি বীমা করা থাকে তাহলে বীমা কোম্পানি গাড়িটি হারিয়ে গেলে কোন ক্ষতিপূরন দিতে বাধ্য থাকবে না।
দূর্ঘটনাজনিত ক্ষতিঃ অর্থাৎ যে পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হবে তা অবশ্যই নিয়ন্ত্রনের বাইরে থাকবে। যদি গাফিলতির কারনে কোন ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয় তাহলে এর ক্ষতিপূরন নাও পাওয়া যেতে পারে।
বৃহৎ আকারের ক্ষতিঃ ক্ষতির পরিমান অবশ্যই বীমাকৃত ব্যাক্তির সাপেক্ষে যুক্তিযুক্ত হয়ে হবে।
প্রিমিয়াম অবশ্যই সাশ্রয়ী হতে হবেঃ সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমান যতই ব্যাপক হোক না কেন, বীমা প্রিমিয়াম অবশ্যই বীমা গ্রহনকারীর নাগালের মধ্যে থাকতে হবে।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমান অবশ্যই পরিমানযোগ্য হতে হবেঃ যেহেতু সবধরনের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া যায় না এবং বীমা কোম্পানি শুধুমাত্র টাকার অংকে ক্ষতিপূরন দিতে পারে তাই সম্বাব্য ক্ষয়ক্ষতি টাকার অংকে পরিমাপ করতে হবে।
প্রাকৃতিক মহাদূর্যোগের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরনের পরিমান সীমিত হবেঃ যেমন বন্যা বা ভূমিকম্পের ফলে যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, বীমা কোম্পানি গুলো এই পরিমান ক্ষতিপূরন দেওয়া থেকে বিরত থাকে কারন এত ব্যাপক পরিমান ক্ষতিপূরন কোন একক বীমা কোম্পানির পক্ষে দেওয়া সম্ভব হয় না।

আইনসিদ্ধতা[সম্পাদনা]

চূড়ান্ত সদ্বিশ্বাসের নীতিঃ
বীমাযোগ্য স্বার্থের নীতিঃ
ক্ষতিপূরণের নীতিঃ
স্থলাভিষিক্তকরন নীতিঃ
অংশগ্রহণের নীতিঃ
ক্ষতির অব্যাহতিকরন নীতিঃ

ক্ষতিপূরন[সম্পাদনা]

বীমার প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

জীবন বীমা[সম্পাদনা]

জীবন-জীবিকার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ঝুঁকি তথা সম্ভাব্য ক্ষতির বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থাকেই এক কথায় জীবন বীমা বলা হয়। জীবন বীমা এমন একটি চুক্তি যেখানে এককালীন অর্থ বা নির্দিষ্ট সময়ান্তর কিস্তি পরিশোধের প্রতিদানে বিমাকারীর মৃত্যুর পর অথবা মৃত্যু না হলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর বৃত্তি বা এককালীন পরিশোধিত হতে পারে।

নৌ বা সামুদ্রিক বীমা[সম্পাদনা]

অগ্নি বীমা[সম্পাদনা]

সামাজিক ও অন্যান্য ধরনের বীমাসমূহ[সম্পাদনা]

সামাজিক প্রেক্ষাপট[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

 

 

অত্র ২নং ঈশ্বরদী ইউনিয়নে

তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে রয়েছে জীবন বীমা কর্পোরেশ এজেন্ট

উক্ত বীমার দায়িত্বে রয়েছে

(১) মোঃ গোলাম কিবরিয়া (উদ্দোক্তা)

(২) মোছাঃ রিক্তারা খাতুন (উদ্দোক্তা)